Logo
শিরোনাম
বান্দরবানে এপেক্স ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কাপ্তাই হ্রদের পানি কিছু দিনের মধ্যে না কমালে ব্যাহত হবে বোরো মৌসুমের ধান চাষ : চুরমার হবে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন ঈদগাঁও শাহ জব্বারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এবার আলিম চালু, উচ্চ শিক্ষার নবদিগন্ত পটিয়ায় বেষ্ট বাংলা ট্রাভল এন্ড ট্যুরস যাএা শুরু: বিদেশ ভ্রমণে হয়রানি মুক্ত নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্টান চকরিয়ায় ডাকাতের হামলায় মাংস বিক্রেতা নিহত, আহত ৩ ঈদ সামনে রেখে চকরিয়ায় সাঁড়াশি অভিযান: মার্কেটে ছিনতাইয়ের সময় হাতেনাতে আটক ৪ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে  নাইক্ষ্যংছড়িতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নাইক্ষ‍্যংছড়িতে-৩৪ বিজিবির অভিযানে বিপুল ইয়াবার চালান সহ আটক -১ বাংলাদেশের ঐতিহ্য হচ্ছে উপজাতীয় ভাষা শহিদ দিবসে ইউএনও- হাসনাত জাহান খান ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

কাপ্তাই হ্রদের পানি কিছু দিনের মধ্যে না কমালে ব্যাহত হবে বোরো মৌসুমের ধান চাষ : চুরমার হবে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি:-রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি কয়েক দিনের মধ্যে  না কমালে  মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন। ব্যহত হবে  বোরো মৌসুমের ধান চাষসহ অন্যান্য চাষ। সরেজমিনে দেখতে গিয়ে দেখা যায়, বিলাই বাজার এলাকা, কেরনছড়ি, ধূপ্যাচর, দীঘল ছড়ি, কুতুবদিয়া, মাছকাবা ছড়া, শুকনা ছড়ি সাক্রাছড়ি,বহলতলী ও ভালাছড়ি  এলাকায় উপরে অংশে কিছু কিছু জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে । এছাড়াও হ্রদের উপরে বসবাস করা অন্যান্য উপজেলাগুলোও একই চিত্র।

 

প্রথম স্তরে জমিগুলো কিছু কিছু ধান রোপণ করলেও, একে বারেই চাষ করতে পারেনি দ্বিতীয় স্তরের বেশির ভাগ জায়গায় – জমি। যা পানি দ্রুত কমানোর অপেক্ষায় প্রহর গুনতে শুরু করেছেন। কৃষকের রয়েছে  মাঠজুড়ে বীজতলা/  জালা / বীজবপন । নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক অনেক কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরে এই সময়ে অনেক নীচে পানি কমে গেছে। খবরে দেখেছেন তারা, নির্বাচনের কারণে  যোগাযোগ সুবিধার জন্য পানি ধরে রাখা হয়েছে। নির্বাচন শেষ হলে দ্রুত কমানো হবে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেও পানি দ্রুত কমানো হচ্ছে না। বাঁধের উপরে ধান্য জমি চাষ করতে পারে সবে মাত্র একবার, তাও সঠিক  সময়ে পানি কমালে। অর্থাৎ ডিসেম্বর – জানুয়ারির – ফেব্রুয়ারির মধ্যে। অন্য দিকে জুন – জুলাইয়ে বর্ষাকালে পানি চলে আসে। ঠিকমতো চাষ করতে না পারলে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে। তখন এই দায় কে নিবে !

কৃষি অফিসার রাজেশ প্রসাদ রায় জানান, এবারে লক্ষ্য মাত্রা  ২৮০ হেক্টর হলেও, দ্রুত পানি না কমানের  ফলে অর্জন হতে পারে  সবে মাত্র  ৭৫ হেক্টর জমির ফসল।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ জানান, কাপ্তাই হ্রদে বছরে একবার চাষ করতে পারে এই জলেভাসা জমিগুলো।  সঠিক সময়ে না কামানোর ফলে ক্ষতি হচ্ছে কৃষকরা। জালা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।চাষ করতে না পারলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে। তিনি আরও জানান কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। এজন্য কর্তৃপক্ষের উচিত প্রতি বছরের ন্যায় নিদিষ্ট সময়ে পানি কমানো এবং নিদিষ্ট সময়ে পানি বৃদ্ধি করা।যাহাতে সবাই বাঁচতে পারে।

 

সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা জানান, নদীর পাড়/তীরগুলো শুকিয়ে দিয়ে খালের পানি ধরে রাখা।  অন্তত পক্ষে  নৌচলাচল করতে পারে এমন আবস্থানে পানি রেখে,  বাকী সব পানি দ্রুত কমিয়ে ফেলা। যাহাতে  চাষযোগ্য জমিগুলো দ্রুত  চাষ করতে পারে সে অবস্থানে নিয়ে আনা।

 

এই বিষয়ে পিডিপির ব্যবস্থাপকের  সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান,নির্বাচনের আগে ১ টি পাওয়ার  বা গেইট খোলা এখন নির্বাচনের পরে এখন ২ টি  খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমান ৯৩ ফিট এমএসএল উচ্চতায় ( mean se lavel পানি রয়েছে। উল্লেখ্য যে , রাঙ্গামাটির কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রায় ৫৪ হাজার একর জমি পানির নিচে তলিয়ে  যায়। তাই তারা বিষয়টি সুদৃষ্টির কামনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান এরঁ কাছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!